
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত দেশটির ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভোরে ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক হামলা চালায় মার্কিন সেনারা। এরপর বাহরাইন ও কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিকে টার্গেট করে তেহরান।
এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালিতে দুটি ট্যাংকার জাহাজেও হামলা চালিয়েছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড।
বিপ্লবী গার্ড এক বিবৃতিতে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটি এবং কুয়েতের আলী আল সালেম ও আহমেদ আল-জাবের বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
আর যে দুটি ট্যাংকার জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে সেগুলো অবৈধভাবে হরমুজ পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনীর সবচেয়ে চৌকস এ ইউনিট।
ইরানের আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড। তারা বলেছে, ইরানের বিভিন্ন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে।
এদিকে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং সিরিকসহ হরমুজ প্রণালির বিভিন্ন জায়গায় হামলার তথ্য জানানো হয়েছে।
এছাড়া কারগান শহরেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সেখানে অন্তত দুজন আহত হয়েছেন।
গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। যুক্তরাষ্ট্র এ যুদ্ধবিরতি বারবার ভঙ্গ করেছে উল্লেখ করে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বলেছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।
গত সোমবার হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। ইরান এটি ভূপাতিত করেছে এমন দাবি করে ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এরপর ইরানও পাল্টা হামলা চালায়। আজ দ্বিতীয় দিনের মতো হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটল।
এরআগে গতকাল সাংবাদিকদের ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ইরানের সঙ্গে চুক্তির খুব কাছাকাছি আছেন তারা। কিন্তু ইরান এটি আটকে রেখেছে। তিনি হুমকি দেন যদি ইরান দ্রুত সময়ে চুক্তি না করে তাহলে কঠোর হামলা চালানো হবে। - সূত্র: আলজাজিরা
আমার বার্তা /জেএইচ

