ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ দুইবারের বেশি চান না ৬৪ ভাগ মানুষ: জরিপ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৯:৪৭

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দুবারের বেশি হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন প্রায় ৬৪ শতাংশ মানুষ। তবে ১০ শতাংশের মতে, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ পরপর দুবারের বেশি হতে পারে। আর ১৫ শতাংশ মনে করে, মেয়াদ নির্দিষ্ট করে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। সেই সঙ্গে একই ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী ও ক্ষমতাসীন দলের প্রধান পদে থাকা উচিত নয় বলে মনে করে ৪৯ শতাংশ এবং ৩৭ শতাংশের মতে, দুই পদে এক ব্যক্তি থাকতে পারেন। পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দলীয় সরকারের অধীনে ভোটের পক্ষে ৮৬ শতাংশ মানুষ।

সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত জাতীয় জনমত জরিপ-২০২৪-এ মানুষের এ ধরনের মতামত উঠে এসেছে। সংবিধান সংস্কার কমিশন বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মাধ্যমে জরিপটি পরিচালনা করে। সম্প্রতি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের সঙ্গে জরিপটি প্রকাশ করা হয়।

কমিশন তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, জরিপে ৫ থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করা হয়। দেশের ৬৪ জেলা থেকে সরাসরি সাক্ষাৎকার পদ্ধতিতে ৪৫ হাজার ৯২৫টি খানার (পরিবার) ১৮ থেকে ৭৫ বছর বয়সি মানুষের কাছ থেকে মতামত নেওয়া হয়।

জরিপের প্রতিবেদনে দেখা যায়, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছে মাত্র ৬ শতাংশ মানুষ। আরও ৬ শতাংশের বেশি এ বিষয়ে না জানার কথা জানিয়েছে। উত্তর দিতে রাজি হয়নি প্রায় ২ শতাংশ মানুষ। জরিপে অংশ নেওয়াদের মধ্যে রাষ্ট্রপতির হাতে আরও ক্ষমতা দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে প্রায় ৩৭ শতাংশ মানুষ। ৪৫ শতাংশ মনে করে, ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতেই থাকা উচিত। জাতীয় সংসদের মেয়াদ চার বছর করার পক্ষে নন সাধারণ মানুষ। পাঁচ বছর মেয়াদের পক্ষে ৭৮ শতাংশ, চার বছরের পক্ষে ১৬ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। সংসদ গঠনের ক্ষেত্রে নির্বাচন পদ্ধতি কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে ৭৮ শতাংশ মানুষ প্রার্থীর প্রাপ্ত সর্বোচ্চ ভোটের পক্ষে মত দিয়েছে।

বর্তমানের প্রচলিত ব্যবস্থাকে সমর্থন করেছেন তারা। রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত আনুপাতিক ভোটের ভিত্তিতে সংসদ গঠনের পক্ষে ৯ শতাংশের কম মানুষ।

সংসদকে দুইভাগে অর্থাৎ উচ্চ ও নিম্নকক্ষে বিভক্ত করার পক্ষে ৩৫ শতাংশ মানুষ। আর ৩৯ শতাংশ এর বিপক্ষে। ২৩ শতাংশের বেশি মানুষ এর উত্তর দিতে নারাজ। বর্তমান পদ্ধতিতে সংসদ-সদস্যরা সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দিতে পারেন না। ৮৩ শতাংশ মানুষ মনে করে, এক্ষেত্রে বিধিনিষেধ থাকা উচিত নয়। সংবিধান সংশোধনসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গণভোটের পক্ষে মত দিয়েছে প্রায় ৮২ শতাংশ মানুষ। নারী আসনের পক্ষে ৭৫ শতাংশ মানুষ। জাতীয় সংসদে এখন নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসনসংখ্যা ৫০।

তবে সেখানে সরাসরি ভোট হয় না। সংবিধানে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের অধিকার, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি সুরক্ষিত করার সুস্পষ্ট বিধানের পক্ষে ৯১ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ। নাগরিকদের মতপ্রকাশ ও কথা বলার স্বাধীনতায় কোনো ধরনের বিধিনিষেধ সংবিধানে থাকা উচিত নয় বলে মনে করে ৫৩ শতাংশ উত্তরদাতা। আর ৪৩ শতাংশের কিছু বেশি মানুষ সাংবিধানিক বিধিনিষেধের পক্ষে। সভা-সমাবেশ ও মিছিলে যোগ দেওয়ার স্বাধীনতা সীমিত করার ক্ষমতা সংবিধানে থাকার পক্ষে ৬১ শতাংশের বেশি মানুষ। ২৯ শতাংশ মনে করে, এ ক্ষমতা সংবিধানে থাকা উচিত নয়।

বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৯১ সালে গণতন্ত্রে ফেরার পর থেকে বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনগুলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ ২০১১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী (তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা) বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। এরপর সংবিধান সংশোধন করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে আওয়ামী লীগ সরকার। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের তিনটি জাতীয় নির্বাচন আওয়ামী লীগ দলীয় সরকারের অধীনে করেছে। নির্বাচনগুলো ছিল একতরফা, পাতানো ও প্রহসনের। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট গঠিত হয় অন্তর্বর্তী সরকার। হাইকোর্ট ১৮ ডিসেম্বর নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের দুটি ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে বাতিল ঘোষণা করেন।

আমার বার্তা/এমই

কোনো কেন্দ্র দখলের খবর আমাদের কাছে আসেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

কোনো কেন্দ্র দখলের খবর আমাদের কাছে আসেনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর

ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল ও উৎসবমুখর ইলেকশন হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

এবারের নির্বাচন ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল ও উৎসবমুখর হবে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৬ মাস ধরেই গুজব চলছে, নির্বাচনে কোনো শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

গত ছয় মাস ধরে নির্বাচন নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হলেও বাস্তবে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে চলছে এবং

শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে, সবাইকে নির্ভয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান সেনাপ্রধানের

দেশব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। সবাইকে নির্ভয়ে বাড়ি থেকে
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কোনো কেন্দ্র দখলের খবর আমাদের কাছে আসেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ফ্রি, ফেয়ার, ক্রেডিবল ও উৎসবমুখর ইলেকশন হবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

৬ মাস ধরেই গুজব চলছে, নির্বাচনে কোনো শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ভোট দিলেন জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান

৭৯ হাজার টাকাসহ কেন্দ্রের সামনে থেকে জামায়াতের ওয়ার্ড সভাপতি আটক

জোর করে সিল মারার পাঁয়তারা করেছে: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দায়িত্ব পালনকালে পোলিং অফিসারের মৃত্যু

শান্তিপূর্ণ ভোট চলছে, সবাইকে নির্ভয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান সেনাপ্রধানের

কেন্দ্রে জামায়াত কর্মীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু

নতুন বাংলাদেশের প্রক্রিয়া শুরু হলো: ভোট প্রদান শেষে প্রধান উপদেষ্টা

প্রশাসন পেশাদার হলে অভিযোগ থাকবে না: সারজিস আলম

গুলশান মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

‘হানাহানিমুক্ত বাংলাদেশ চাই’—সপরিবারে ভোট দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা ইউসুফ

জয়লাভ করলে প্রাধান্য পাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন: তারেক রহমান

বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ট্রেন গন্তব্যে পৌঁছাবে: সিইসি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিলেন তারেক রহমান

গোপালগঞ্জে ভোটকেন্দ্রে ককটেল বিস্ফোরণ, আনসারসহ আহত ৩

ভোটে বাধা বা কারচুপির সুযোগ নেই: ইসি সানাউল্লাহ

উৎসবমুখর পরিবেশ, ভোট কেন্দ্রে আসুন: নাহিদ ইসলাম

ভোট নিয়ে হানাহানি নয়, জনগণের রায় মাথা পেতে নেব: জাহাঙ্গীর হোসেন