
দেশ ও জনগণের স্বার্থকে নিজের রাজনীতির মূল ভিত্তি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সংসদ নেতা হিসেবে বক্তব্যে দেওয়ার সময় তিনি বলেন, তার রাজনীতি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, বরং দেশের মানুষের স্বার্থের রাজনীতি। এ সময় তিনি সংসদের সব দলের সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করেন।
সরকারপ্রধান বলেন, ‘দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছি। আমার রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থের রাজনীতি।’
প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মধ্য দিয়ে বিএনপি স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায় মন্তব্য করে তিনি সংসদে সব দলের সহযোগিতা আশা করেন।
তারেক রহমান বলেন, বিরোধী দলের সঙ্গে মতামত ও কর্মসূচির ভিন্নতা থাকতে পারে। কিন্তু তাঁবেদারমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় আমাদের মাঝে কোনো বিরোধ নেই।
বক্তব্যে বিএনপির প্রয়াত নেত্রী ও তার মা খালেদা জিয়ার কথাও স্মরণ করেন সরকারপ্রধান। জুলাই অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের জনসাধারণ এবং আহত ও নিহতদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এরপর তিনি বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনে রেওয়াজ অনুযায়ী সাবেক স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু বিগত সরকারের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের ফলে বাংলাদেশে যে জনরোষ তৈরি হয়েছে, তারপর আর তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সে কারণে তিনি বিএনপি নেতা ও নির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
পরে মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে সংসদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হয়। স্পিকার নির্বাচিত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। আর ডেপুটি স্পিকার হন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। পরে দুজনকেই শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
আমার বার্তা/এমই

