
আবারও এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠানের দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে কথা বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
রোববার (২৯ মার্চ) রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) আয়োজিত নতুন জাতীয়করণকৃত কলেজ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে দুই পাবলিক পরীক্ষার সময় নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন কাঠামোগত সীমাবদ্ধতার প্রসঙ্গ তুলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার দীর্ঘসূত্রিতা; বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পরীক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা শেষ করলেও শিক্ষা বোর্ডগুলো এই দুটি পাবলিক পরীক্ষা সেই বছরের ডিসেম্বরে না নিয়ে পরবর্তী বছরের এপ্রিল ও জুন মাসে নিয়ে থাকে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান সময় নষ্ট হচ্ছে, যা জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের ক্ষতির কারণ।
এ বিষয়ে কার্যকর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি। গত ২৫ মার্চ মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় ভবিষ্যতে বিষয় সংখ্যা হ্রাসের প্রয়োজনীয়তা ও সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ওই দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিক পর্যায়ে যে বছর দশম শ্রেণির ক্লাস শেষ করে তার পরবর্তী বছর এসএসসি পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পায় এবং এইচএসসি পরীক্ষার ক্ষেত্রেও একই অবস্থার সম্মুখীন হয়। এর ফলে ওই শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবনের প্রায় দুইবছর সময় তার শিক্ষাজীবন থেকে হারিয়ে যায়।
এই বিষয়টি শিক্ষার্থীদের জীবনে ও আমাদের জাতীয় জীবনে একটা বড় রকমের ক্ষতি। এই প্রেক্ষিত্রে প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করার সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আমার বার্তা/এমই

