ই-পেপার বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩৩

রাষ্ট্র কাঠামোর গুণগত পরিবর্তনের পথ তৈরির আহ্বান এনসিপির

আমার বার্তা অনলাইন:
১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১৫:০৭

যে সংস্কার করলে রাষ্ট্র কাঠামোর গুণগত আমূল পরিবর্তন সম্ভব হবে, ঐকমত্য কমিশনের কাছে সেই পথ তৈরির আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

শনিবার (১৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপের সূচনা বক্তব্যে এ আহ্বান জানান দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় একটি নতুন রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপির আত্মপ্রকাশ হয়েছে। যে দলের প্রধান শক্তি ও ভিত্তির জায়গাটা হচ্ছে এই দেশের তরুণেরা। সেই জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষিতে আমাদের বক্তব্য ছিল আমরা ফ্যাসিবাদের বিলোপ ও একটি নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, এই গণঅভ্যুত্থান কেবল কোনো ব্যক্তির পরিবর্তন নয়, ক্ষমতা থেকে একটি দলকে সরিয়ে আরেকটি দলকে বসানোর পরিকল্পনা ছিল না। বরং কীভাবে রাষ্ট্র কাঠামোর মৌলিক ও গুণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে জনগণের অধিকার রক্ষা করবে, সেরকম একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা ছিল।

গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা যেন ব্যর্থ না হয় সে আহ্বান জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা ৯০-এর গণ-অভ্যুত্থানের কথা বইয়ে পড়েছি, কিন্তু যে আকাঙ্ক্ষায় জনগণের রাস্তায় নেমে আসা সে আকাঙ্ক্ষাগুলো বিভিন্ন সময় আমরা দেখেছি, ব্যর্থ হয়েছে। সেই ব্যর্থতার ফলেই ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদের শাসন ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট তৈরি হয়েছিল। তাই আমরা চাই, এবারের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান যেন কোনোভাবেই ব্যর্থ না হয়। জনগণের ভেতরে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা অবশ্যই পূরণ করতে হবে। এটা জাতির প্রতি আমাদের সবারই অঙ্গীকার।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থান আজকে বৈঠকে বসার প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে। যে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য ১৬ বছরের ফ্যাসিস্ট শাসককে পলায়ন করতে বাধ্য করেছিল বাংলাদেশের জনগণ। হাজারো মানুষের শাহাদাত বরণ ও আহত হওয়ার বিনিময়েই আজকের এই প্রেক্ষাপট।

তিনি আরও বলেন, এনসিপি সংস্কার বলতে মৌলিক সংস্কার বোঝে, যে সংস্কার করলে রাষ্ট্র কাঠামোর গুণগত আমূল পরিবর্তন সম্ভব হবে। কারণ আমরা দেখেছি, বিগত সময়ে আমাদের সংবিধান থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দলীয়করণ ঘটেছিল। আমাদের সংবিধানে একব্যক্তি কেন্দ্রিক একটি কাঠামোর বীজ বপন ছিল। ফলে সেই রাষ্ট্রকাঠামোকে অক্ষুণ্ন রেখে যেই ক্ষমতায় যাক তার ভিতরেও ফ্যাসিবাদী প্রবণতা থাকবে, স্বৈরতান্ত্রিক হয়ে উঠার প্রবণতা থাকবে। সেই জায়গায় রাষ্ট্রের সংস্কার, সংবিধান, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা, বিচার ব্যবস্থা, নির্বাচন ব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে আমরা এনসিপি বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছি।

ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে যেসব সুপারিশ পাঠানো হয়েছিল তার অধিকাংশের সঙ্গেই এনসিপি একমত বলেও জানান নাহিদ ইসলাম।

আমার বার্তা/এমই

বিএনপি ফ্যামেলি কার্ড দেওয়ার নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া

এবার গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্বও আপনাদের: তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ১৬-১৭ বছরে আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। ৫

অভিযোগ সত্ত্বেও ইসি-সরকারের নীরবতা জাতির সঙ্গে বেইমানি: তাহের

নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা ও হামলাসহ নানা অভিযোগ সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) ও সরকারের নীরবতাকে জাতির

জামায়াতের দুই মন্ত্রী তখন কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

চারদলীয় জোট সরকার যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতা তখন কেন পদত্যাগ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

২৭ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজারে যুক্ত হচ্ছে ২০০ কোটি মানুষ

এনটিআরসিএর ৭ম বিশেষ নিয়োগ সুপারিশের ফল প্রকাশ

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ম্যাচের আগমুহূর্তে দুর্ঘটনার কবলে ২ ফরাসি তারকা

অস্ট্রেলিয়ান ওপেন থেকে বড় তারকার বিদায়

বিশ্বকাপের ফাঁকা সময়ে কী করবেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা

অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে সোনার ভরি এখন ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা

চট্টগ্রামে বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষ, কার্যালয় ভাঙচুর

কিশোরদের মানসিক ক্ষতির অভিযোগে মেটা ও ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা

বিএনপি ফ্যামেলি কার্ড দেওয়ার নামে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে: আসিফ মাহমুদ

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার বসাতে পশ্চিমবঙ্গকে নির্দেশ হাইকোর্টের

বিমান দুর্ঘটনায় ভারতের মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ নিহত ৫ জন

এবার গণতন্ত্র রক্ষার দায়িত্বও আপনাদের: তারেক রহমান

চার বছরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ১৮ লক্ষাধিক সেনা হতাহত

পদোন্নতি পেয়ে অতিরিক্ত সচিব হলেন ১১৮ কর্মকর্তা

কুমিল্লায় বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর

অবতরণের সময় ভেঙে পড়ল মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীর বিমান

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলায় নিহত অন্তত ১২ জন

ইরানের বিরুদ্ধে আকাশসীমা ব্যবহার করতে দেবে না সৌদি আরব

‘সুপার-আর্থে’ প্রাণের বিকাশ নিয়ে আরও আশাবাদী হলেন বিজ্ঞানীরা

টেকনাফে পাহাড়ে কাজ করতে গিয়ে ছয় কৃষক অপহৃত