শিরোনাম :

  • জবানবন্দিতে বুলুসহ ১৫ বিএনপি নেতার নাম পেয়েছে পুলিশ উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত ২দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ আইসিসির সেরা হওয়ার দৌড়ে বাংলাদেশের নাসুম
ডাকাত প্রতিরোধে থানা-পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ সতর্ক আছে
এফ এইচ সবুজঃ
২৭ জুলাই, ২০২২ ১৫:৫৮:১৩
প্রিন্টঅ-অ+

স্বর্ণের দোকান, পণ্যবাহী ট্রাক ও বাসের যাত্রীদের জিম্মি করে ডাকাতি সংঘটন করার অপরাধে বিদেশি পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগ। আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টু রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। রাজধানীর লালবাগসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় স্বর্ণের দোকান, পণ্যবাহী ট্রাক ও বাসের যাত্রীদের জিম্মি করে ডাকাতি  করে আসছিল একটি চক্র। আন্তজেলা ডাকাত চক্রটিকে ধরতে কাজ শুরু করে ঢাকা গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের লালবাগ বিভাগ। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল (২৬ জুলাই) দিবাগত রাতে  কোতয়ালী থানাধীন মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় ডাকাত দলের ১১ সদস্যকে লালবাগ গোয়েন্দা বিভাগের কোতয়ালী জোনাল টিম। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সুমন চৌকিদার ওরফে সুমন মিয়া (৩৪), মো. মোস্তফা (৩২), মো. আরিফ হোসেন (৩৪), মো. পলাশ (৩২), মো. করিম (২৫), মো. হাসান (১৮), রিপন ওরফে আকাশ (২৪), জয়নাল আবেদিন (৩১), মো. ওমর ফারুক ফয়সাল (২০), রাসেল (২৪), মো. হাফিজুল ইসলাম (৩৩)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, দুই রাউন্ড গুলি, বড় ছোরা, রামদা, দুটি চাপাতি, পাটের রশি, গামছা এবং পাঁচটি সিএনজি ও একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার করা হয়। এ সকল গাড়ি তাঁরা বিভিন্ন সময় ডাকাতি করে নিজেরাই ব্যবহার করছিল। তারা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার মহাসড়কে ডাকাতি করেছে বলে স্বীকার করেছে। তাদের বিরুদ্ধে কোতয়ালী থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। 


সংবাদ সম্মেলনে, ডাকাত প্রতিরোধে থানা-পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশ সতর্ক আছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, গোয়েন্দা পুলিশসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়া ডাকাত সরদাররা নতুন করে দল গোছায়। তাঁরা বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে নতুন নতুন সদস্যদের নিয়ে দল গড়ে আবারও ডাকাতি করছে। জেলে বসে বিভিন্ন অপরাধে বন্দী থাকা সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে। করোনার কারণে চাকরিতে বেতন কম, কিন্তু মাসে একটা ডাকাতি করলে তার চেয়ে বেশি টাকা পাওয়া যাবে এমন প্রলোভন দেখায়। গ্রেপ্তারকৃতদের পরবর্তী জিজ্ঞাসাবাদে জানা এ বিষয় বিস্তারিত জানা যাবে। ডিবি পুলিশ ও পুলিশের টহল টিমের তৎপরতা বাড়ছে বলেই কমেছে ডাকাতি। উদ্ধার হচ্ছে আগ্নেয়াস্ত্রসহ দেশীয় অস্ত্র।

আরো পড়ুন