শিরোনাম :

  • ঢামেক হাসপাতালে নবজাতক রেখে নিখোঁজ বাবা-মা নেতাকর্মীদের কাছে পাত্তাই পেলেন না শোভন অস্ট্রেলিয়ার সামনে রানের পাহাড় দাঁড় করাচ্ছে ইংল্যান্ড সৌম্য-লিটনও পারে, প্রয়োজন শুধু বিশ্বাস : ব্যাটিং কোচ পাকিস্তান সিপিএল থেকে নিজেদের বোলারকে ফিরিয়ে নিল
অন্যান্য দেশের সঙ্গে একযোগে ফাইভ-জি চালু হবে : জয়
নিজস্ব প্রতিবেদক :
১০ জুলাই, ২০১৯ ১৭:০৭:৫০
প্রিন্টঅ-অ+


পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে একযোগে বাংলাদেশেও ফাইভ-জি প্রযুক্তির নেটওয়ার্ক সেবা চালু হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। দেশে টেলিকমিউনিকেশন সেক্টরে নতুন নীতিমালা করারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে সংসদ সচিবালয় আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ: সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় তথ্য ও প্রযুক্তি’ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা জানান।

বাংলাদেশে ২০২১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ফাইভ-জি সেবা চালুর কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ফাইভ-জি চালু হলে প্রযুক্তি জগতে নতুন বিপ্লব ঘটবে। চালু হবে স্মার্টশহর ও চালকবিহীন গাড়ির মতো সেবাগুলো। ফাইভ-জিতে ফোরজির তুলনায় কমপক্ষে ২০ গুণ বেশি গতি পাওয়া যাবে। কোন কোন ক্ষেত্রে এটি ১০০ গুণেরও বেশি হবে।

দেশ ডিজিটালাইজড হওয়ায় দুর্নীতি কমে এসেছে জানিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘সরকার এরই মধ্যে ই-গভর্নমেন্ট সেবা চালু করেছে। সরকারি বিভিন্ন সেবা ডিজিটাল করার মাধ্যমে দুর্নীতির সুযোগ কমে আসছে। অল্প সময়ে একটি দেশকে ডিজিটালাইজড করার কার্যক্রম বাংলাদেশ ছাড়া খুব কম দেশই পেরেছে।’ বিভিন্ন প্রকল্প অনুমোদন, বাস্তবায়ন এবং তদারকিতে ডিজিটাল পদ্ধতি অনুসরণ করতে সংসদ সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

দেশকে দ্রুত অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সোপানে নিয়ে যেতে দেশের পুরনো আইনে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি মানসিকতায়ও পরিবর্তন আনার পরামর্শ দেন তিনি।

তরুণ প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা।

‘তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করলে তারাই বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে তুলে ধরবে। আধুনিক এবং যুগোপযোগী শিক্ষায় তরুণদের গড়ে তুলতে হবে। যাতে বিশ্বের প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশে আমাদের তরুণরা নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এ ছাড়াও সংসদের ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া, চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব জাফর আহমেদ খান উপস্থিত ছিলেন।

তিনদিনব্যাপী এ কর্মশালায় সব সংসদ সদস্যকে ডিজিটাল সিকিউরিটি এবং সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্টসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।



আমার বার্তা/১০ জুলাই ২০১৯/জহির

 


আরো পড়ুন