ই-পেপার সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

সন্তান জন্মের পর কর্মজীবী মায়ের নতুন লড়াই

আমার বার্তা অনলাইন
০৮ মার্চ ২০২৬, ১১:৪২

একটা সময় ছিল যখন নারীদের জীবন সীমাবদ্ধ ছিল ঘরের চার দেয়ালের ভেতরে। পরিবার ও সংসারের দায়িত্বই ছিল তাদের প্রধান পরিচয়। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই চিত্র অনেকটাই বদলেছে। এখন নারীরা ঘরের গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষা, পেশা, ব্যবসা ও নেতৃত্বের নানা ক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান তৈরি করছেন। কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ দিন দিন বাড়ছে। তবুও বাস্তবতা হলো- এই পথচলায় অনেক নারীকে প্রতিনিয়ত বৈষম্য, চাপ ও অসহযোগিতার সঙ্গে লড়াই করতে হয়। বিশেষ করে সন্তানের জন্মের পর কর্মজীবী মায়েদের সামনে নতুন কিছু চ্যালেঞ্জ এসে দাঁড়ায়।

নারীর জীবনে সন্তানের জন্ম নিঃসন্দেহে আনন্দ ও ভালোবাসার এক অনন্য মুহূর্ত। একটি নতুন জীবনের আগমন পরিবারে নতুন আশার আলো নিয়ে আসে। তবে এই আনন্দের পাশাপাশি মায়ের জীবনে আসে নতুন দায়িত্ব, শারীরিক পরিবর্তন এবং মানসিক চাপ। যারা কর্মজীবী, তাদের জন্য এই সময়টি আরও বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। প্রতি বছর নারী দিবসে আমাদের মনে করিয়ে দেয় নারীরা শুধু পরিবার নয়, কর্মক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন, এবং তাদের এই পথচলায় নানা বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়।

শরীর ও মনের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া

শিশুর জন্মের পর প্রথম বড় চ্যালেঞ্জ হলো শরীর ও মনের পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া। গর্ভধারণ ও সন্তান জন্মের পর একজন মায়ের শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে সময় লাগে। এই সময় অনেকেই শারীরিক দুর্বলতা, ক্লান্তি কিংবা ঘুমের অভাবে ভোগেন। অথচ মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পর অনেক কর্মজীবী মাকে দ্রুতই কাজে ফিরতে হয়। ফলে শারীরিক পুনরুদ্ধারের সময় না পেয়ে তারা দ্বিগুণ চাপের মধ্যে পড়ে যান।

সময় ও দায়িত্বের ভারসাম্যের লড়াই

সময়ের ভারসাম্য বজায় রাখাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অফিসের দায়িত্ব যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে শিশুর যত্ন, ঘরের কাজ এবং পরিবারের অন্যান্য দায়িত্ব। অনেক মা সকালে অফিসের প্রস্তুতি নিয়ে বের হন, আবার সন্ধ্যায় ফিরে শিশুর যত্নে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। দিনের পর দিন এই ব্যস্ততার ভেতর দিয়ে চলতে গিয়ে তারা নিজের জন্য সময় বের করতে পারেন না। এতে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তি বাড়তে পারে।

শিশুকে রেখে কাজে যাওয়ার মানসিক চাপ

শিশুকে রেখে কর্মস্থলে যাওয়ার বিষয়টি অনেক মায়ের জন্য মানসিকভাবে কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় মায়েরা মনে করেন, তারা হয়তো সন্তানের সঙ্গে পর্যাপ্ত সময় কাটাতে পারছেন না। এই অপরাধবোধ তাদের মানসিকভাবে অস্থির করে তুলতে পারে। অন্যদিকে কর্মক্ষেত্রেও নিজের দক্ষতা ও কর্মক্ষমতা ধরে রাখার চাপ থাকে। ফলে অনেক নারী এক ধরনের মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্য দিয়ে দিন কাটান।

কর্মক্ষেত্রে সহায়ক পরিবেশের প্রয়োজন

কর্মক্ষেত্রের পরিবেশও এই পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যদি কর্মস্থলে সহায়ক নীতি ও পরিবেশ থাকে, যেমন মাতৃত্বকালীন ছুটি, নমনীয় কর্মঘণ্টা বা শিশুর যত্নের সুবিধা থাকে তাহলে কর্মজীবী মায়েদের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়া তুলনামূলক সহজ হয়। সহকর্মী ও কর্তৃপক্ষের সহানুভূতিশীল মনোভাব একজন মাকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজের দায়িত্ব পালন করতে উৎসাহ দেয়।

পরিবারের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ

পরিবারের সহযোগিতাও এখানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বামী, বাবা-মা বা পরিবারের অন্য সদস্যরা যদি শিশুর যত্নে অংশ নেন, তাহলে মায়ের ওপর চাপ অনেকটাই কমে যায়। এতে তিনি নিজের কাজ ও পরিবার-দুই ক্ষেত্রেই ভারসাম্য বজায় রাখতে পারেন।

এসব চ্যালেঞ্জের মাঝেও অসংখ্য নারী সাহস, ধৈর্য এবং ভালোবাসা দিয়ে প্রতিদিন নিজেদের পথ তৈরি করছেন। তারা প্রমাণ করছেন যে মাতৃত্ব ও পেশা দুটাই একসঙ্গে সামলানো সম্ভব। প্রয়োজন শুধু সহযোগিতা, সম্মান এবং সমান সুযোগের।

নারী দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয়,কর্মজীবী মায়েদের এই সংগ্রাম কেবল ব্যক্তিগত নয়, এটি সমাজের অগ্রগতির সঙ্গে জড়িত। তাই তাদের জন্য সহায়ক ও মানবিক কর্মপরিবেশ তৈরি করা এবং তাদের অবদানকে যথাযথ সম্মান দেওয়া আমাদের সবার দায়িত্ব। - সূত্র: মিডিয়াম, আমেরিকান ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন, হিন্দুস্তান টাইমস

আমার বার্তা /জেএইচ

মা-বাবার যে ৪ অভ্যাসে দূর হবে শিশুর ঘুমের সমস্যা

ঘুমের সমস্যার জন্য প্রায়ই নীল আলোকে দায়ী করা হয়, কিন্তু বিষয়টি আরও জটিল। বিশেষ করে

এক বছরের কম বয়সী শিশুকে মধু খেতে দেবেন না যে কারণে

মধু একটি প্রাকৃতিক এবং মৃদু খাদ্য হিসাবে পরিচিত। বেশিরভাগেরই ধারণা শিশুকে এটি খাওয়ানো উপকারি। কিন্তু

ভাদ্রের রোদে ত্বক কালোসহ নানা ক্ষতি, জেনে নিন সহজ কিছু প্রতিকার

বাংলা পঞ্জিকায় ভাদ্র মাস মানেই প্রখর রোদ আর অস্বস্তিকর গরম। গ্রামবাংলায় এই সময়কে বলা হয়

কম বয়সেই চুল পড়ার সমস্যায় জেন-জি : নেপথ্যে যেসব কারণ

কেবলমাত্র বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই চুল পড়বে– সকলের এমন ধারণা ভুল। মিলেনিয়াল, অর্থাৎ জেন-জির পূর্বপ্রজন্ম
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বার্থী মোহাম্মাদীয়া মাদ্রাসায় দোয়া অনুষ্ঠান ও ডিপফ্রিজ প্রদান

মেঘলা সকালে রাষ্ট্রের হিসাব-নিকাশ

গজারিয়ার চরবলাকিতে তাজুল ইসলাম জমাদারের বিরুদ্ধে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন

আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে মাথায় আঘাত করে হত্যা: পুলিশ

রাজধানীতে শিল্পকলার একাডেমির সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন, ৪২ ঘর পুড়ে ছাই

জ্বালানি নিরাপত্তায় সরকারের নতুন উদ্যোগ, মহাপরিকল্পনা

সমাজের পঁচন ও নৈতিক অবক্ষয় বহু বছর ধরে শুরু হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অপ্রতিম হত্যায় ৪ জন গ্রেপ্তার, অপরাধ স্বীকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারে আইইডিসিআর গবেষণার অনন্য মডেল: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

চিকিৎসাসেবায় বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর, দেশে আসছে বিশ্বসেরা প্রযুক্তি

তথ্যপ্রযুক্তি সেবায় অবদানের স্বীকৃতি পেল টার্গেট আইটি

ভারী বৃষ্টিতে ডুবেছে নিউমার্কেট এলাকার বিভিন্ন সড়ক, ব্যাহত যান চলাচল

মস্কোয় রাতভর ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন, নিহত ২ জন

ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়ে ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ

১০ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন মূল্যস্ফীতি আগস্টে

আফগানিস্তানের অধিনায়কত্ব হারানো নিয়ে নীরবতা ভাঙলেন রশিদ

আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার

মশলায় কাঠের গুঁড়া, খাবারে পচা মাংস : চট্টগ্রামে ১৯ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা