
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পাওয়ার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী অক্টোবর মাসের বেতন নবম পে স্কেলের ভিত্তিতে পাবেন তারা। একই সঙ্গে গত তিন মাসের বকেয়া বেতনও পাওয়ার কথা রয়েছে।
সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল অনুযায়ী বেতন নির্ধারণের কার্যক্রম এগোলেও এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। তাদের জন্য আলাদা প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানানো হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
অর্থমন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, এখনও অপেক্ষায় থাকতে হবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী এবং বিচার বিভাগীয় কর্মীদের জন্য নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নে নভেম্বর বা ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এদিকে দ্রুত পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন দাবি করে আসছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল মালেক জানান, ছয় লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের মৌলিক চাহিদা পূরণ নবম জাতীয় পে স্কেলের সঙ্গে দ্রুত তাদের প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হোক-দ্রুত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হোক।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে স্কেল প্রজ্ঞাপন বিলম্বের কারণ হিসেবে এসব প্রতিষ্ঠানের বেতন প্রক্রিয়ায় এনালগ পদ্ধতিকে দায়ি করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বেতন হিসাব করার প্রক্রিয়া হাতে-কলমে করতে হয়। এ কারণে প্রজ্ঞাপন জারিতে বিলম্ব হচ্ছে।

