শিরোনাম :

  • প্রথম ওভারেই নাসুমের আঘাত করোনায় একদিনে পুরুষের চেয়ে নারীর মৃত্যু দ্বিগুণ নাঈম-মুশফিকের অর্ধশতকে ১৭১ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর‘তিস্তায় মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে
২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে
নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহা-সড়ক নির্মান কাজ ৮০ শতাংশ সম্পন্ন
রাসেল রানা, নওগাঁ প্রতিনিধি
১৩ অক্টোবর, ২০২১ ১৭:৪০:৫৭
প্রিন্টঅ-অ+

নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক মহা-সড়ক নির্মান কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে। এই আঞ্চলিক মহা-সড়কটির নির্মান কাজ সম্পন্ন হলে তিন জেলার প্রায় ৬ উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার যেমন উন্নয়ন ঘটবে অন্যদিকে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে। 


কৃষিপণ্য সরবরাহ সহজ হওয়াসহ নওগাঁ থেকে ঢাকার সাথে সড়ক যোগাযোগ প্রায় ৩০/৩৫ কিলোমিটার কমে যাবে। 


নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রকৌশলী মোঃ সাজেদুর রহমান জনিয়েছেন ২০১৭ সালে সরকারী অনুমোদন লাভের পর যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে নওগাঁ-নাটোর আঞ্চলিক এই মহা-সড়ক নির্মান কাজ শুরু হয়। ৮টি ব্রীজ ও ১৫টি ছোট বড় কার্লভার্টসহ সাড়ে ২৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মানে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় দু’শ কোটি টাকা। সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। 


নওগাঁ জেলার দক্ষিনাঞ্চলের তুলনামুলক নীচু এলাকা রানীনগর ও আত্রাই উপজেলার সাথে যোগাযোগের কোন সড়ক পথ ছিলনা বললেই চলে। একমাত্র রেলপথ এবং নৌকায় ছিল এই এলাকর মানুষের যোগাযোগের একমাত্র ভরসা। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ডের ধারাবাহিকতায় অনেক আগে বিগত বিএনপি সরকারের সময়ে বন্ধ হয়ে যাওয়া নওগাঁ -নাটোর আঞ্চলিক মহা-সড়কটি নির্মানে পুনরায় সরকারের অনুমোদন লাভ করে। 


সড়কটির নির্মান কাজ শেষ হলে বগুড়া জেলার আদমদিঘী,নওগাঁ সদর, রানীনগর ও আত্রাই এবং নাটোর জেলার নলডাঙ্গা ও সদর উপজেলার সাথে যোগাযোগের সম্পর্ক স্থাপিত হবে। যোগাযোগ সুবিধাসহ বদলে যাবে এই এলাকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান। 


এলাকাবাসী জানেিয়ছেন আগে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পথ বেশী ঘুরে সড়ক পথে রাজশাহী অথবা বগুড়া হয়ে  নাটোর যেতে হতো।  সড়কটির নির্মান কাজ শেষ হলে রেলপথ ছাড়াও নওগাঁ থেকে সহজেই রানীনগর, আত্রাই হয়ে মাত্র ১ ঘন্টা সময়ের মধ্যে নাটোর যাওয়া সম্ভব হবে। এ ছাড়াও নাটোর, বনপাড়া হার্টিকুমরুল মোড় হয়ে সোজা ঢাকা যাওয়া সম্ভব হবে। এতে নওগাঁর সাথে ঢাকার দুরত্ব প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ কিলোমিটার কমে যাবে।  


নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মেঃ সাজেদুর রহমান বলেছেন ইতিমধ্যে রাস্তার নির্মান কাজের প্রায় ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। 


আগামী ২০২২ সালের জুন মাসে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা। সম্পন্ন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন এসব এলাকায় এই আঞ্চলিক মহা-সড়কটি নির্মানের যথাযথ উপযোগিতার কথা তুলে ধরার পাশাপাশি এলাকার  মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নসহ প্রত্যাশা পুরনের সার্বিক উন্নয়নের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের কথা বলেছে সড়ক বিভাগ।


আমার বার্তা/ সি এইচ কে

আরো পড়ুন