
পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মা নদীতে ট্রলার দুর্ঘটনার প্রায় ১৪ ঘণ্টা পরও রাকিবুজ্জামান রকির (৩০) সন্ধান পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় নদীতে পড়ে যাওয়া আরও দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে পাকশীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিখোঁজ রাকিবুজ্জামান রকি ঝিনাইদহের শৈলকূপা পৌরসভার কবিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়পাড়া এলাকার মৃত হাছান আলীর ছেলে। তিনি শৈলকূপা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম
উদ্ধার হওয়া দুইজন হলেন- ঝিনাইদহের শৈলকূপার একই এলাকার বিদ্যুৎ আলীর ছেলে মো. লিটন (৩৮) এবং কুষ্টিয়ার আরাপাড়া এলাকার ওহাব (৪৫)।
নৌ-পুলিশ ও উদ্ধার হওয়া দুজন সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে ঝিনাইদহের শৈলকূপার কাতলা ঘাট থেকে প্রায় ১২০ জন একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে করে বেড়ানোর উদ্দেশ্যে ভেড়ামারা উপজেলার সোলাইমান শাহ মাজারে যান। মাজার এলাকা ঘুরে রাতে তারা ট্রলারে করে ফিরছিলেন এমন সময় ট্রলারটি পাকশীর পদ্মা নদীর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় ৪ নম্বর পিলারে ধাক্কা খায়। এতে ট্রলারে থাকা রাকিবুজ্জামান রকি, লিটন ও ওহাব নদীতে পড়ে যান। পরে ট্রলারে থাকা অন্যরা লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও রকি পানিতে তলিয়ে যান।
খবর পেয়ে লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি, ঈশ্বরদী ও ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। মাঝরাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও রকির সন্ধান পাওয়া যায়নি। শনিবার সকালেও তাকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
লক্ষ্মীকুন্ডা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শফিকুল ইসলাম বলেন, ট্রলার থেকে পড়ে তিনজন নদীতে নিখোঁজ হয়েছিলেন। এর মধ্যে দুজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে রাকিবুজ্জামান রকি এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তাকে উদ্ধারে নৌ-পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

