
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের চরবলাকি গ্রামে সম্পত্তি বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে বলাকি জমাদ্দার বাড়িতে মৃত আহসান উল্লাহ মেম্বারের ছেলে নাজমুল জমাদার পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে প্রত্যক্ষ সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিযুক্ত তাজুল ইসলাম জমাদারের সহোদর দুই ভাই নুরুল ইসলাম জমাদ্দার ও আফছু জমাদার।
পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল জমাদার বলেন, “মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ সম্মেলনের নিন্দা ও প্রতিবাদ করছি।”
তিনি সংবাদকর্মীদের জানান, ছোবহান জমাদ্দারের ছেলে তাজুল ইসলাম সম্পত্তি বিরোধের জের ধরে একাধিক মিথ্যা ও চাঁদাবাজির মামলা করেছেন বলে তিনি দাবি করেন।
নাজমুল জমাদার আরও জানান, তাজুল ইসলামের বাবা স্কুলের নামে ৩৩ শতাংশ জমি লিখে দিয়েছেন। একই দাগে ১৯৯০-৯১ সালে তার কাছে ১২ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি ছাড়াই বিক্রি করে নগদ টাকা বুঝে নেন। এরপর থেকেই তিনি সেখানে ঘরবাড়ি নির্মাণ করে ভোগদখল করে আসছেন বলে দাবি করেন।
তার অভিযোগ, প্রতিপক্ষ তাজুল ইসলাম তাকে রেজিস্ট্রি না দিয়ে দিনের পর দিন সময় অতিবাহিত করছেন। কিছুদিন আগে ভরাট ও দখলীয় জায়গায় জোরপূর্বক একটি ঘর উঠিয়েছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামে এবং থানায় একাধিক সালিশ হয়েছে বলে জানান নাজমুল জমাদার। সালিশে তাজুল ইসলামের বিক্রি করা জায়গা রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল বলেও তিনি দাবি করেন।
এ সময় তাজুল ইসলামের আপন সহোদর ভাই নাজমুল জমাদার জানান, তাজুল ইসলাম জায়গা বিক্রি করেছেন। তবে সেই জায়গা সাবকাবলা বা রেজিস্ট্রি করা হয়নি।
এদিকে অভিযুক্ত তাজুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

