শিরোনাম :

  • দুবাই পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মওলানা ভাসানীর ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশে ভাসানীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধ্বে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিতেন ভাসানী : রাষ্ট্রপতি রাজধানীতে দরজা ভেঙে সাংবাদিকের মরদেহ উদ্ধার
শমী কায়সারের বক্তব্যে মানহানিকর ঘটনা ঘটেনি
নিজস্ব প্রতিবেদক :
২৪ অক্টোবর, ২০১৯ ১৪:০২:৫৫
প্রিন্টঅ-অ+


সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলে সম্বোধন করায় অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলার সত্যতা খুঁজে পায়নি পুলিশ। তবে এই প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেবেন মামলার বাদী।

বৃহস্পতিবার ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান।

প্রতিবদনে তিনি উল্লেখ্য করেন, শমী কায়সারের বক্তব্যে কোনো মানহানিকর ঘটনা ঘটেনি। মামলার বাদী এ বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেনি।

মামলার বাদী প্রতিবেদনের ওপর নারাজি দেবেন বলে আদালতে সময় প্রার্থনা করলে বিচারক আগামী ২৫ নভেম্বর নারাজি দেয়ার জন্য দিন ধার্য করেন।

মামলার বাদী স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সাক্ষী আনার বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাকে কিছু বলেননি। সেদিন প্রেসক্লাবে কী ঘটেছিল তা জাতি জানে।

এর আগে ৩০ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে মামলা করেন স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে রমনা থানার পরিদর্শককে (ওসি) ১৬ জুন তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন।

গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটনবিষয়ক সাইট ‘বিন্দু ৩৬৫’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শমী কায়সারের দুটি স্মার্টফোন চুরি হয়। ওই অনুষ্ঠানে অর্ধশত ফটো ও ভিডিও ক্যামেরা এবং শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারাও সেখানে ছিলেন।

এ সময় শমী কায়সার অভিযোগ করে বলেন, সাংবাদিকরা মোবাইল চুরি করেছেন। তিনি তার নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের দেহ তল্লাশিও করান। কেউ ঘটনাস্থল থেকে বের হতে চাইলে তাদের ‘চোর’ বলে ওঠেন শমী কায়সারের নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে সংবাদকর্মীরা বিক্ষুব্ধ হন। অনুষ্ঠানস্থলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা।

পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে কেক নিয়ে আসা লাইটিংয়ের এক কর্মী স্মার্টফোন দুটি নিয়ে গেছে। ভিডিও ফুটেজ দেখার পর সাংবাদিকদের কাছে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন শমী কায়সার।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় ওঠে। এমন বক্তব্যের জন্য তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ওই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতিও দেয় সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন।



আমার বার্তা/২৪ অক্টোবর ২০১৯/জহির


আরো পড়ুন