
বাংলাদেশের জন্য পারস্পরিক শুল্কহার কমিয়ে ১৯ শতাংশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে দুদেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত বাণিজ্যচুক্তি সই হয়।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠান শেষে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি আড়াই হাজার পণ্যে শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে প্রবেশাধিকার দিয়েছে, অন্যদিকে বাংলাদেশ চার হাজার ৪০০টি মার্কিন পণ্যে শুল্কমুক্ত বা কম শুল্কে প্রবেশাধিকার দিয়েছে।
আমদানিকৃত মার্কিন তুলা দিয়ে তৈরি পোশাক পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শূন্য শুল্ক সুবিধা পাবে, যোগ করেন তিনি।
ওষুধ শিল্পের পণ্য, মৎস্যজাত পণ্য, পার্টিকেল বোর্ড এবং সব ধরনের খাদ্যপণ্যও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার ভোগ করবে।
বাংলাদেশের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সই করেন দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ার।
গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় নয় মাস ধরে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলে।
চুক্তি সইয়ের পর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, এই চুক্তি আমাদের দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে এক ঐতিহাসিক নতুন পর্যায়ে নিয়ে গেছে। এর ফলে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের বাজারে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তি প্রবেশাধিকার পাবে।
চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্কহার কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামাবে। আগে এই হার ছিল ৩৭ শতাংশ, যা পরে গত বছরের আগস্টে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়।
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমে ১৯ শতাংশ হওয়ায় আমাদের রপ্তানিকারকেরা আরও বেশি সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাক রপ্তানিতে শূন্য পারস্পরিক শুল্ক আমাদের তৈরি পোশাক খাতে উল্লেখযোগ্য গতি আনবে।
আমার বার্তা/এমই

