ই-পেপার বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২

নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হোক ঈদযাত্রা

রায়হান আহমেদ তপাদার:
২৩ মার্চ ২০২৫, ১০:৫৯

ঈদে রাজধানী ও অন্যান্য শহর থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ নাড়ির টানে পরিবার-পরিজনসহ গ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করে। আসন্ন ঈদুল ফিতরেও এর ব্যতিক্রম হবে না। দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্রতি বছর ঈদ উৎসবের আগমুহূর্ত থেকেই ঘরমুখী মানুষের মনে নিরানন্দের সুর ধ্বনিত হতে দেখা যায়। টিকিট কালোবাজারি, যানজট, ছিনতাই-ডাকাতি ও চাঁদাবাজি, জাল নোট, সড়ক ও লঞ্চপথে দুর্ঘটনা এবং শ্রমিক অসন্তোষের কারণে রাস্তা অবরোধসহ বিভিন্ন ঘটনায় জনদুর্ভোগ চরমে ওঠে। অতীতের ঘটনা থেকে প্রমাণিত-দেশের কোনো পথই ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রার জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। সড়কপথ, নৌপথ ও রেলপথ ঈদের আগে কোথাও স্বস্তির কোনো চিত্র পরিলক্ষিত হয় না। নির্ঝঞ্ঝাট ও নিরাপদ ভ্রমণের প্রত্যাশা নিয়ে মানুষ টিকিটের জন্য বাস, লঞ্চ ও রেলস্টেশনে ভিড় জমায়। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যের টিকিট পাওয়া দুরূহ হয়ে পড়ে। মূলত অতিরিক্ত অর্থ উপার্জনের জন্য অবৈধ পন্থায় টিকিটের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এ সময় মানুষকে উচ্চমূল্যে টিকিট কিনতে বাধ্য করা হয়। ঈদের আগে এ ধরনের অনিয়ম-অব্যবস্থা মোটেই কাম্য নয়।প্রতিটি জাতীয় উৎসব-পর্বে মানুষ মাটির টানে উৎসে ফিরে যান, স্বজনদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। গ্রামের সঙ্গে তাদের আত্মীক সম্পর্কটি এখনো অটুট ও অম্লান রয়ে গেছে। এটি আমাদের সামাজিক সংহতিকেও সুদৃঢ় করে। বছরের অন্যান্য সময়ে ছুটিছাঁটা তেমন পাওয়া যায় না বলেই ঈদের সময় অনেক বেশি মানুষ শহর থেকে গ্রামে যান। আবার অনেকে আনন্দ ভ্রমণের জন্যও এ সময়টি বেছে নেন। নানা কারণে আমরা বিদেশি পর্যটকদের তেমন আকৃষ্ট করতে না পারলেও অভ্যন্তরীণ পর্যটন অনেক বেড়েছে। ঈদের সময় কক্সবাজার, কুয়াকাটাসহ দর্শনীয় স্থানগুলো পরিণত হয় জনারণ্যে।

ঈদে মাটির টানে বাড়ি ফেরা কিংবা আনন্দ ভ্রমণের জন্য বের হওয়া হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশুর যাত্রাকে নিরাপদ করা সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব। ঈদের সময় নৌ, স্থল ও ট্রেনে যানবাহনের সংখ্যা অনেক বাড়ানো হয়। কিন্তু তার পরও যাত্রীসংখ্যার তুলনায় তা অপ্রতুল। ফলে এক ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা লক্ষ করা যায়, যা অনেক সময় প্রাণঘাতী দুর্ঘটনার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অতএব, ঈদে মাটির টানে যাওয়া এবং ঈদের পরে ফিরে আসা যাতে স্বস্তিদায়ক হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সর্বোচ্চ সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। ঈদের সময় ট্রাফিক ব্যবস্থায় ঢিলেঢালা ভাব লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে ঈদের সময় ফেরি পারাপারের ক্ষেত্রে মহাজট লেগে যায়। এ ক্ষেত্রে ফেরির সংখ্যা বাড়ানোর পাশাপাশি সড়কপথের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতাগুলো দূর করার বিকল্প নেই। তবে যাত্রী ও পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আইনকানুন মেনে চলবেন। লঞ্চ, ট্রেন বা বাসে ঝুঁকি নিয়ে কেউ যাত্রা করবেন না। সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। এরই মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে মানুষ ছুটছেন। ঈদ মানেই আনন্দ আর এই আনন্দ তখনই পূর্ণতা লাভ করে, যখন পরিবারের সবাই একত্রে মিলিত হয়ে উদযাপন করার সুযোগ মেলে। এ আনন্দ সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। জীবিকার প্রয়োজনে ইট-কাঠের শহরে আবাস গড়লেও আমাদের সবার মন পড়ে থাকে অন্য কোথাও অর্থাৎ নিজ গ্রামে। যেখানে রয়েছে মানুষের নাড়ির টান। বাড়ি বহুদূর হলেও ঈদের মধ্যে প্রিয়জনের সঙ্গে মিলিত হতে চায় সবাই। খুশিকে আরো পরিপূর্ণ করতে এবং আপনজনকে দেখার আকাঙ্ক্ষা মেটাতে পথের কষ্ট নিয়ে ভাবে না কেউ। যেভাবেই হোক ঈদে বাড়ি পৌঁছানো চাই! কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, ঈদের আগে টিকিট পাওয়াটা যেন সোনার হরিণ পাওয়া। অনলাইনে টিকিট কাটার ক্ষেত্রেও দেখা যায়, এক মিনিটের মধ্যেই যেন সব টিকিট গায়েব হয়ে যায়।

স্টেশনে সারারাত অপেক্ষা করে টিকিট সংগ্রহের যে কষ্ট তা আপনজনের সঙ্গে মিলিত হতে পেরে ক্ষণিকের মধ্যেই সেই কষ্টের কথা মানুষ ভুলে যায়। ঈদের সময় টিকিট না পাওয়ার অভিজ্ঞতা মনে হয় সবারই কমবেশি রয়েছে। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে টিকিট কালোবাজারিরা স্টেশনকেন্দ্রিক বেপরোয়া হয়ে ওঠে। যাত্রীদের কাজ থেকে আদায় করে নেয় অতিরিক্ত অর্থ। প্রশ্ন হচ্ছে এই যে, প্রতিটি জেলায় রেলের টিকিটের ক্ষেত্রে কালোবাজারি চক্র সব সময় সক্রিয় থাকে, এদের হাত থেকে সাধারণ জনগণ কি কখনো মুক্তি পাবে না? দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর হাজির হয় ঈদুল ফিতর। দিনটি ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাইকে এককাতারে শামিল করার চেতনায় উজ্জীবিত করে। ঈদ কেন্দ্র করে পোশাক, অলংকার, জুতাসহ অন্যান্য সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়ে সর্বত্র বাড়ছে ব্যস্ততার পরিধি। শহর থেকে কেনাকাটা করে গ্রামের বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে এরই মধ্যে। শ্রেণি-ধর্ম-বর্ণ-ধনী-গরিব নির্বিশেষে সব মানুষ ভাগাভাগি করে নেয় ঈদের আনন্দ। দারিদ্র্যের কারণে যাতে কেউ ঈদের আনন্দঘন পরিবেশ থেকে বঞ্চিত না হয়, তার জন্য ইসলামে রয়েছে ফিতরা প্রদানের ব্যবস্থা। এ ছাড়া মুসলিমরা তাদের সম্পদের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে গরিবদের জাকাত প্রদান করে থাকে। এতে অর্থনৈতিক বৈষম্য যেমন দূর হয়, তেমনি সামাজিক ও ধর্মীয় দায়বদ্ধতা প্রকাশ পায়। এ ছাড়া সমাজের বিত্তবান মানুষ ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন নতুন জামা-কাপড় ও ঈদসামগ্রী প্রদানের মাধ্যমে ঈদের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে তোলে। ঈদের আনন্দ স্বজনদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য বিপুলসংখ্যক কর্মজীবী মানুষ ঢাকাসহ অন্যান্য বড় শহর থেকে পরিবার-পরিজনসহ গ্রামের বাড়িতে যান। কিন্তু নিরাপদে বাড়ি ফেরার নেই কোনো নিশ্চয়তা। বিভিন্ন ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও লঞ্চ রং করে নতুনের মতো করে তোলা হচ্ছে। যার ফলে ক্রমেই বাড়ছে দুর্ঘটনা।

দেশের বেশির ভাগ যাত্রী সড়কপথে বাড়িতে যায় এবং ফিরেও আসে সড়কপথে। তাই যাত্রীদের জীবনের নিরাপত্তার জন্য সড়কপথে যেন ফিটনেসবিহীন বাস কেউ নামাতে না পারে, সেদিকে নজর রাখতে হবে। এমনকি ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই, এমন কেউ যাতে বাস বা অন্য কোনো যানবাহন চালাতে না পারে, সেদিকেও নজর রাখতে হবে। কেউ যাতে রেষারেষি করে কিংবা প্রতিযোগিতা করে যানবাহন না চালায়, এ ব্যাপারে চালকদের সতর্ক করে দেওয়া জরুরি। আমরা জানি, ঈদের সময় ট্রেনেও উপচে পড়া ভিড় থাকে। টিকিট না পেয়ে অসংখ্য যাত্রী ছাদে উঠে গন্তব্যে যায়। কেউবা ঝুলে যায়। দুর্ঘটনা ঘটলে দায় রেল বিভাগের ওপর পড়ে। সুতরাং কেউ যাতে ট্রেনের ছাদে উঠতে না পারে বা ঝুলে যেতে না পারে, সেদিকে কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। নদীপথে ঈদের এ সময় ফিটনেসবিহীন লঞ্চ যেন নামতে না পারে। যাত্রীরাও যদি একটু সতর্ক থাকে, তাহলে ঈদযাত্রা হতে পারে নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন। বিশেষ করে সব থেকে বেশি ভোগান্তিতে পড়ে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ। আরিচা এবং মাওয়া ফেরিঘাটে দীর্ঘলাইনে অপেক্ষা করতে হয় পারাপারের। এ বছর ফেরিসংকটে এ ভোগান্তি আরো কিছুটা বাড়িয়ে তুলবে। ওদিকে উত্তরবঙ্গের মানুষেরও এবার বেশ ঝামেলা পোহাতে হবে নিজ নিজ ঠিকানায় ফিরতে। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপাড় সংযোগ মহাসড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় তাদের জন্যও এবারের ঈদযাত্রা খুব বেশি স্বস্তির হবে না। প্রতি বছরই দেখা যায়, ঘরমুখো অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপে সড়কে গণপরিবহন ও নদীতে লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটে। চাপ সামলাতে না পেরে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি গাড়ি ওঠানোর ফলে মাঝপথে ফেরিডুবির ঘটনায় শতশত মানুষ মারা যায়। এমন ঘটনা বিরল নয়, যা রোজা কিংবা কোরবানির ঈদ এলেই দেখা যায়।

সব সময় মনে রাখতে হবে ‘সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি’। কারণ আপনার-আমার একটু অসচেতনতার ফলেই শুধু আমরা পৃথিবী ছেড়ে চলে যাই না। বরং পথে বসতে হয় আমাদের পরিবারকেও। হারিয়ে যায় আপনার-আমার ছেলেমেয়ের হাসিমাখা মুখ। অপেক্ষায় থাকা বৃদ্ধ বাবা-মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ সবকিছু ভেবেই আমাদের উচিত হবে নিজ জায়গা থেকে সচেতনতার সঙ্গে বাড়ি ফেরা। সে ক্ষেত্রে সময় বাঁচাতে লাফ দিয়ে পরিবহনে ওঠা, অতিরিক্ত যাত্রীবাহী লঞ্চে যাত্রা করা, দ্রুত পার হতে স্পিডবোট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যাতে অনেক প্রতীক্ষার পরে আসা, এ ঈদের যাত্রা আমাদের জন্য নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হয়। প্রতি বছরই দেখা যায়, ঘরমুখো অতিরিক্ত যাত্রীদের চাপে সড়কে গণপরিবহন ও নদীতে লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটে। চাপ সামলাতে না পেরে নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি গাড়ি ওঠানোর ফলে মাঝপথে ফেরিডুবির ঘটনায় শত শত মানুষ মারা যায়। এমন ঘটনা বিরল নয়, যা রোজা কিংবা কোরবানির ঈদ এলেই দেখা যায়। আর এসব দুর্ঘটনায় মানুষ মারা যাওয়ার পর তদন্ত করে বলা হয় ফেরির ফিটনেস কিংবা লঞ্চে অদক্ষ চালকের কথা। তবে তাদের এই গতানুগতিক রিপোর্টে আর ফিরে আসে না হারিয়ে যাওয়া মানুষগুলো। প্রতি বছরই ঘরে ফেরা হয় না এমন বহু মানুষের। তা ছাড়া দেখা যায়, যানজটের কবল থেকে রেহাই না পেয়ে স্বল্পপাল্লার গাড়িতে চড়ে ফেরি বা লঞ্চের পরিবর্তে স্পিডবোটে পার হয় অনেক যাত্রী। দ্রুততার সঙ্গে নদী পাড়ি দিতেই মূলত তারা এই পদ্ধতি অবলম্বন করে। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, নদীতে ডুবে মারা যাওয়ার বড় একাংশ এই স্পিডবোট দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এ জন্য এসব দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কর্তৃপক্ষকে আরো বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে। ঈদে যারা মাটির টানে ঘরে ফিরে যাবেন, যারা আনন্দ ভ্রমণে বের হবেন, তাদের সবার যাত্রা আনন্দময় ও নিরাপদ হোক এই কামনাই করি। ঈদ মোবারক।

লেখক: গবেষক ও কলামিস্ট, যুক্তরাজ্য।

রোহিঙ্গা সংকট- ইরান যুদ্ধ ও মানবিক সহায়তায় প্রভাব

ইরান ও আমেরিকা- ইসরায়েল যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে একটি বিশাল ভূরাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটে পরিণত

অটিজম: নীরবতার ভেতরে লুকানো সম্ভাবনা ও থেরাপির বৈজ্ঞানিক বাস্তবতা

একটি শিশু যখন ডাকলে ফিরে তাকায় না, চোখে চোখ রাখে না, নিজের জগতে ডুবে থাকে

নতুন জোট স্প্রিং রেভোলিউশন অ্যালায়েন্স ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

২০২১ সালে মিয়ানমার সামরিক বাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে মিয়ানমার

দেশে তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগবিহীন সংসদ

বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগকে ছাড়া জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলছে। উল্লেখ্য ২০২৬ সালের
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাংলাদেশে কখনো জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা করা হয়নি: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে আগ্রহী যুক্তরাজ্য

তেল বরাদ্দে অনিয়ম, যমুনার এজিএম (সেলস) সাময়িক বরখাস্ত

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে ১০ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার আশ্বাস গভর্নরের

বিশ্বে মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশই বাংলাদেশে: প্রতিমন্ত্রী

ভারত-বাংলাদেশের সামরিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে দুই দেশের আলোচনা

ইলিশের উৎপাদন আরও বাড়ানোর উপায় খুঁজতে বিজ্ঞানীদের গবেষণার আহ্বান

ঢামেকে চিকিৎসকদের সঙ্গে ঢাবি শিক্ষার্থীদের হাতাহাতি, সেবা বন্ধ

ক্লিয়ারেন্স পেলে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবে লাখ টন তেলবাহী জাহাজ

সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় অপসারণ হবে ২৪০ অবৈধ কাউন্টার

পয়লা বৈশাখে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে ডিএমপি

ঋতুপর্ণাদের সাফে নেই পাকিস্তান, নিশ্চিত নয় হামজাদের ভেন্যু

আগামী ৩ দিন বিঘ্নিত হতে পারে ইন্টারনেট সেবা

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার: জয়শঙ্কর

ক্রিকেটাররা বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিলেন- স্বীকার করলেন আসিফ নজরুল

কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলক অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে: শিক্ষামন্ত্রী

ইবির নবনির্বাচিত কর্মকর্তা সমিতির দায়িত্ব গ্রহণ

আন্দোলনকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিল পাস

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের শোচনীয় পরাজয় ঘটেছে : রাশিয়া