ই-পেপার শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩

ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতিমালা গ্রহণ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:৪৫

ট্রাম্প প্রশাসনকে শত শত, এমনকি হাজারো অভিবাসীকে দ্রুত তাঁদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য দেশে বিতাড়িত করার নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিচারক।

নিজ দেশে বিতাড়িত হওয়ার পর নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া বা প্রাণ হারানোর ঝুঁকির বিষয়ে অভিবাসীদের কোনো কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে না ট্রাম্প প্রশাসন। এ অবস্থায় গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট বিচারক ব্রায়ান মারফি ট্রাম্প প্রশাসনের ওই পরিকল্পনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী পরিকল্পনায় এটি একটি নতুন আঘাত। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর সব নীতিমালা গ্রহণ করছেন।

এর আগে গত মাসে বোস্টনভিত্তিক একজন বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের বিতাড়ন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পরিকল্পনার ওপর অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, যেন প্রশাসনের অভিবাসীদের অপসারণের ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হয়।

যেসব অভিবাসীর কিছু ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে, তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে প্রশাসনকে বিরত রাখতে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

গতকালের নিষেধাজ্ঞা ওই আদেশকে বহাল রাখতে জারি করা হয়েছে। আইনিভাবে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী বিতাড়নের পরিকল্পনার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রে যখন সরকারের কোনো নীতিমালা আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, তখন ফেডারেল বিচারকেরা যে আদেশ দেন, তা প্রায়ই দেশজুড়ে কার্যকর হয়।

আদালতের এসব সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে কার্যকর করা বাধাগ্রস্ত করতে ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন ছিল, যাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত এমন সিদ্ধান্ত দেন, শুধু তাঁদের ওপরই তা কার্যকর করা হোক।

বিচারক ব্রায়ান মারফি বলেছেন, ‘আদালত মনে করছেন, এসব বিতাড়ন ভুলভাবে হয়েছে অথবা ভুলভাবে করা হবে। উল্লেখ করার মতো যেসব ক্ষতির সম্মুখীন বাদীরা হতে পারেন, সে বিষয়ে তাঁদের কিছু বলার কোনো সুযোগ দেওয়া হয় না।’

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

হিউম্যান রাইটস ফার্স্টের অ্যানওয়েন হিউস বলেছেন, যাঁদের তৃতীয় কোনো দেশে বিতাড়ন করা হয়েছে, তাঁদের অনেকে শরণার্থী এবং তাঁদের নিজ দেশে ফেরত না পাঠানোর সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। নিজ দেশে গেলে তাঁরা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হতে পারেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের দ্রুত বিতাড়নের বিরুদ্ধে যাঁরা আদালতে গেছেন, হিউস তাঁদের পক্ষের একজন আইনজীবী।

২০২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৭৬৯ জন আদালতের চূড়ান্ত আদেশে তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে সীমিত সুরক্ষা পাওয়ার নিশ্চয়তা পান। নিজ দেশে ফেরত পাঠালে তাঁদের জীবন ও স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে পারে অথবা সেখানে নিপীড়নের শিকার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আদেশ লঙ্ঘন করে ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের বিতাড়ন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে বিচারপতির হুঁশিয়ারি

এ বছর ফেব্রুয়ারিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তর অভিবাসন কর্মকর্তাদের এ ধরনের সুরক্ষা পাওয়া ব্যক্তিদের মামলা পর্যালোচনার করার নির্দেশ দিয়েছে ও তাঁদের পুনরায় আটক করে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো যায় কি না, তা দেখতে বলেছে।

পরে অভিবাসীদের অধিকারের পক্ষে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন একদল অভিবাসীর পক্ষে আদালতে গিয়ে নতুন জায়গায় তাঁদের দ্রুত বিতাড়ন আটকে দেওয়ার আবেদন করেন।

বিচারক মারফি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আদালতের নির্দেশ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসীদের বিতাড়ন করলে সেটি হয়তো নিপীড়নবিরোধী নীতিমালার লঙ্ঘন হবে।

আমার বার্তা/এল/এমই

ইন্দোনেশিয়া আগ্নেয়গিরিতে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত, নিহত ৩

মাউন্ট ডুকোনো আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে তিনজন নিহত হওয়ার পর নিখোঁজ ২০ জন পর্বতারোহীর খোঁজে অভিযান চালাচ্ছে

ইরান সংঘাতে পারস্য উপসাগরে আটকা পড়েছে প্রায় ১৫০০ জাহাজ: আইএমও

ইরান কর্তৃক হরমুজ প্রণালি অবরোধের ফলে পারস্য উপসাগরে প্রায় ১ হাজার ৫০০ জাহাজ এবং তাদের

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা বিলুপ্ত ঘোষণা, মমতার ১৫ বছরের শাসনের অবসান

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা এবং রাজ্য মন্ত্রিসভা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজ্য

ট্রাম্পের ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ অবৈধ: মার্কিন আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে— এমন সব দেশের ওপর যে ১০ শতাংশ ‘বেইসলাইন শুল্ক’ আরোপ
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে বড় সুখবর

কোচিংয়ে গিয়ে ধর্ষণের শিকার শিশু শিক্ষার্থী, আসামি গ্রেপ্তার

৫ ম্যাচে চতুর্থ সেঞ্চুরি করলেন শান্ত, ছুটছে বাংলাদেশও

সন্তানের পিতৃত্ব নির্ধারণে ইসলামের নীতিমালা

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

ইন্দোনেশিয়া আগ্নেয়গিরিতে ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত, নিহত ৩

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ানো গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী

বাংলা সাহিত্যের গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর: হাসান মাহমুদ টুকু

শিক্ষকরা ‘সহযোগী বইয়ের’ তালিকা দেবেন, গাইড বইয়ের দরকার হবে না

ঈদ উপলক্ষ্যে বাসের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

আমাদের রাজনীতি সুন্দর না, পরিচ্ছন্ন না: মির্জা ফখরুল

মাদরাসাছাত্রী ধর্ষণ-অন্তঃসত্ত্বা: চিকিৎসকে হত্যা-ধর্ষণের হুমকিতে থানায় ডায়েরি

জীবাশ্ম জ্বালানি মুক্ত ভবিষ্যতের দাবিতে তরুণদের সমাবেশ

দেড় বছরে গণমাধ্যমের ওপর যেভাবে হামলা হয়েছে, তা বিশ্বে বিরল: ইফতেখারুজ্জামান

ডাকাতি প্রতিরোধে টহলে গিয়ে প্রাণ হারালেন নৌ পুলিশ সদস্য

দুর্নীতি ও প্রশাসনিক স্বচ্ছতার ব্যাপারে কড়া সতর্কবার্তা

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস আজ

ডায়াবেটিস হওয়া মানেই তুমি হার্টের রোগী

সবজির বাজার চড়া, বেশিরভাগের দাম ৮০ থেকে ১০০

পরিচয় মিলেছে সীমান্তে উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাত মরদেহের