ই-পেপার শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতিমালা গ্রহণ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:৪৫

ট্রাম্প প্রশাসনকে শত শত, এমনকি হাজারো অভিবাসীকে দ্রুত তাঁদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য দেশে বিতাড়িত করার নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিচারক।

নিজ দেশে বিতাড়িত হওয়ার পর নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া বা প্রাণ হারানোর ঝুঁকির বিষয়ে অভিবাসীদের কোনো কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে না ট্রাম্প প্রশাসন। এ অবস্থায় গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট বিচারক ব্রায়ান মারফি ট্রাম্প প্রশাসনের ওই পরিকল্পনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী পরিকল্পনায় এটি একটি নতুন আঘাত। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর সব নীতিমালা গ্রহণ করছেন।

এর আগে গত মাসে বোস্টনভিত্তিক একজন বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের বিতাড়ন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পরিকল্পনার ওপর অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, যেন প্রশাসনের অভিবাসীদের অপসারণের ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হয়।

যেসব অভিবাসীর কিছু ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে, তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে প্রশাসনকে বিরত রাখতে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

গতকালের নিষেধাজ্ঞা ওই আদেশকে বহাল রাখতে জারি করা হয়েছে। আইনিভাবে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী বিতাড়নের পরিকল্পনার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রে যখন সরকারের কোনো নীতিমালা আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, তখন ফেডারেল বিচারকেরা যে আদেশ দেন, তা প্রায়ই দেশজুড়ে কার্যকর হয়।

আদালতের এসব সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে কার্যকর করা বাধাগ্রস্ত করতে ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন ছিল, যাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত এমন সিদ্ধান্ত দেন, শুধু তাঁদের ওপরই তা কার্যকর করা হোক।

বিচারক ব্রায়ান মারফি বলেছেন, ‘আদালত মনে করছেন, এসব বিতাড়ন ভুলভাবে হয়েছে অথবা ভুলভাবে করা হবে। উল্লেখ করার মতো যেসব ক্ষতির সম্মুখীন বাদীরা হতে পারেন, সে বিষয়ে তাঁদের কিছু বলার কোনো সুযোগ দেওয়া হয় না।’

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

হিউম্যান রাইটস ফার্স্টের অ্যানওয়েন হিউস বলেছেন, যাঁদের তৃতীয় কোনো দেশে বিতাড়ন করা হয়েছে, তাঁদের অনেকে শরণার্থী এবং তাঁদের নিজ দেশে ফেরত না পাঠানোর সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। নিজ দেশে গেলে তাঁরা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হতে পারেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের দ্রুত বিতাড়নের বিরুদ্ধে যাঁরা আদালতে গেছেন, হিউস তাঁদের পক্ষের একজন আইনজীবী।

২০২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৭৬৯ জন আদালতের চূড়ান্ত আদেশে তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে সীমিত সুরক্ষা পাওয়ার নিশ্চয়তা পান। নিজ দেশে ফেরত পাঠালে তাঁদের জীবন ও স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে পারে অথবা সেখানে নিপীড়নের শিকার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আদেশ লঙ্ঘন করে ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের বিতাড়ন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে বিচারপতির হুঁশিয়ারি

এ বছর ফেব্রুয়ারিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তর অভিবাসন কর্মকর্তাদের এ ধরনের সুরক্ষা পাওয়া ব্যক্তিদের মামলা পর্যালোচনার করার নির্দেশ দিয়েছে ও তাঁদের পুনরায় আটক করে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো যায় কি না, তা দেখতে বলেছে।

পরে অভিবাসীদের অধিকারের পক্ষে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন একদল অভিবাসীর পক্ষে আদালতে গিয়ে নতুন জায়গায় তাঁদের দ্রুত বিতাড়ন আটকে দেওয়ার আবেদন করেন।

বিচারক মারফি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আদালতের নির্দেশ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসীদের বিতাড়ন করলে সেটি হয়তো নিপীড়নবিরোধী নীতিমালার লঙ্ঘন হবে।

আমার বার্তা/এল/এমই

ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ সৌদি আরব, যুদ্ধনীতি-অপমানে বন্ধুত্বে ফাটল

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের খামখেয়ালি আচরণে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ক্রমশ বিরক্ত হয়ে উঠছে সৌদি আরব।

হরমুজ প্রণালি সচল করতে ৩৫ দেশের জোট গড়ছে যুক্তরাজ্য

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান যুদ্ধের প্রভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়া বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল

শত্রুদের আত্মসমর্পণ পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে, বলল ইরানের সেনাবাহিনী

ইরানের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারণা অসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর খতম

ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-বিশ্বের জন্য এক বিপদ: ডেমোক্র্যাট নেতারা

 তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘উদ্ভট, ভয়াবহ, অশুভ’ বলেছেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কংগ্রেস সদস্যরা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এলজিইডিতে স্থবিরতা কাটাতে বড় পদক্ষেপ: ১৯৭ প্রকৌশলীকে নির্বাহী দায়িত্ব

জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে: জ্বালানিমন্ত্রী

টেলিকম স্থাপনায় অগ্রাধিকার জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হলেন তানভীর গনি ও বিজন কান্তি

জামায়াত মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিলে সংবিধান নিয়ে সংকট সৃষ্টি হয় না: রাশেদ খান

ট্রাম্পের ওপর ক্ষুব্ধ সৌদি আরব, যুদ্ধনীতি-অপমানে বন্ধুত্বে ফাটল

ফেনীতে ২ কোটি ১৩ লক্ষ টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় চ্যালেঞ্জ ব্রিটিশ আইনি সেবা প্রতিষ্ঠানের

বিরোধীদলীয় নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে উত্তপ্ত সংসদ

সাফের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

জাপান-বাংলাদেশ ইপিএ চুক্তি মাইলফলক: বাণিজ্যমন্ত্রী

১৩৩ অধ্যাদেশ যাচাই: ২০টি বাতিলের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

অভিভাবকদের গান-বাজনায় বাধ্য করা ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন: হেফাজত

ঢাকায় সাবেক আলজেরীয় রাষ্ট্রপতি লিয়ামিন জেরুয়ালের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

বিসিবি থেকে পদত্যাগ করলেন আরেক পরিচালক ইয়াসির ফয়সাল

সম্মিলিতভাবে অন্ধত্ব নিরসনের অঙ্গীকার করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

পতেঙ্গায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে বিপুল পরিমাণ কয়লাসহ আটক ৩

এসএসসি পরীক্ষার জন্য ঢাকা বোর্ডের জরুরি নির্দেশনা

দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই: সংসদে বিদ্যুৎমন্ত্রী