ই-পেপার মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩৩

ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতিমালা গ্রহণ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:৪৫

ট্রাম্প প্রশাসনকে শত শত, এমনকি হাজারো অভিবাসীকে দ্রুত তাঁদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য দেশে বিতাড়িত করার নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিচারক।

নিজ দেশে বিতাড়িত হওয়ার পর নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া বা প্রাণ হারানোর ঝুঁকির বিষয়ে অভিবাসীদের কোনো কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে না ট্রাম্প প্রশাসন। এ অবস্থায় গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট বিচারক ব্রায়ান মারফি ট্রাম্প প্রশাসনের ওই পরিকল্পনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী পরিকল্পনায় এটি একটি নতুন আঘাত। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর সব নীতিমালা গ্রহণ করছেন।

এর আগে গত মাসে বোস্টনভিত্তিক একজন বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের বিতাড়ন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পরিকল্পনার ওপর অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, যেন প্রশাসনের অভিবাসীদের অপসারণের ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হয়।

যেসব অভিবাসীর কিছু ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে, তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে প্রশাসনকে বিরত রাখতে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

গতকালের নিষেধাজ্ঞা ওই আদেশকে বহাল রাখতে জারি করা হয়েছে। আইনিভাবে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী বিতাড়নের পরিকল্পনার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রে যখন সরকারের কোনো নীতিমালা আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, তখন ফেডারেল বিচারকেরা যে আদেশ দেন, তা প্রায়ই দেশজুড়ে কার্যকর হয়।

আদালতের এসব সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে কার্যকর করা বাধাগ্রস্ত করতে ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন ছিল, যাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত এমন সিদ্ধান্ত দেন, শুধু তাঁদের ওপরই তা কার্যকর করা হোক।

বিচারক ব্রায়ান মারফি বলেছেন, ‘আদালত মনে করছেন, এসব বিতাড়ন ভুলভাবে হয়েছে অথবা ভুলভাবে করা হবে। উল্লেখ করার মতো যেসব ক্ষতির সম্মুখীন বাদীরা হতে পারেন, সে বিষয়ে তাঁদের কিছু বলার কোনো সুযোগ দেওয়া হয় না।’

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

হিউম্যান রাইটস ফার্স্টের অ্যানওয়েন হিউস বলেছেন, যাঁদের তৃতীয় কোনো দেশে বিতাড়ন করা হয়েছে, তাঁদের অনেকে শরণার্থী এবং তাঁদের নিজ দেশে ফেরত না পাঠানোর সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। নিজ দেশে গেলে তাঁরা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হতে পারেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের দ্রুত বিতাড়নের বিরুদ্ধে যাঁরা আদালতে গেছেন, হিউস তাঁদের পক্ষের একজন আইনজীবী।

২০২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৭৬৯ জন আদালতের চূড়ান্ত আদেশে তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে সীমিত সুরক্ষা পাওয়ার নিশ্চয়তা পান। নিজ দেশে ফেরত পাঠালে তাঁদের জীবন ও স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে পারে অথবা সেখানে নিপীড়নের শিকার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আদেশ লঙ্ঘন করে ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের বিতাড়ন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে বিচারপতির হুঁশিয়ারি

এ বছর ফেব্রুয়ারিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তর অভিবাসন কর্মকর্তাদের এ ধরনের সুরক্ষা পাওয়া ব্যক্তিদের মামলা পর্যালোচনার করার নির্দেশ দিয়েছে ও তাঁদের পুনরায় আটক করে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো যায় কি না, তা দেখতে বলেছে।

পরে অভিবাসীদের অধিকারের পক্ষে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন একদল অভিবাসীর পক্ষে আদালতে গিয়ে নতুন জায়গায় তাঁদের দ্রুত বিতাড়ন আটকে দেওয়ার আবেদন করেন।

বিচারক মারফি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আদালতের নির্দেশ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসীদের বিতাড়ন করলে সেটি হয়তো নিপীড়নবিরোধী নীতিমালার লঙ্ঘন হবে।

আমার বার্তা/এল/এমই

সাউথ-সাউথ সহযোগিতায় মরক্কোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ওএসিপিএস- এ নাসের বোরিতা

মরক্কোর বাদশাহ ষষ্ঠ মোহাম্মদের ভিশনের সাথে সঙ্গতি রেখে অংশীদারিত্ব ও বাস্তব সংহতির উপর ভিত্তি করে

ইরানের পক্ষে লড়াইয়ে প্রস্তুত রমজান কাদিরভের অনুগত বাহিনী

মার্কিন সামরিক বাহিনীর স্থল অভিযান শুরু হলে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীকে সহায়তার লক্ষ্যে দেশটিতে মোতায়েনের জন্য

ভারত সফরে জয়শঙ্কর-অজিত দোভালের সঙ্গে বসবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আগামী ৭ এপ্রিল ভারতের নয়াদিল্লি যাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস মঙ্গলবার

নিজস্ব শর্ত ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতেই যুদ্ধের অবসান হবে: ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্ট শাসনের চাপিয়ে দেওয়া আগ্রাসী যুদ্ধ শেষ করার বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত ইরানের নিজস্ব
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাউথ-সাউথ সহযোগিতায় মরক্কোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত ওএসিপিএস- এ নাসের বোরিতা

বেনাপোলে কুরিয়ার সার্ভিসের গাড়ি থেকে চোরাচালান পণ্য জব্দ

১৭ বছরে সীমাহীন দুর্নীতির কারণে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপনারা জেন-জি রিপ্রেজেন্ট করেন, জামায়াত জেনারেশন হয়েন না: পার্থ

ইরানের পক্ষে লড়াইয়ে প্রস্তুত রমজান কাদিরভের অনুগত বাহিনী

ফ্যাসিবাদ যেন আর ফিরে না আসে: সংসদে ডা. শফিকুর রহমান

বিএনপি কোনোভাবেই ইতিহাসকে বিকৃত করবে না: তথ্যমন্ত্রী

পল্লবীতে পরিত্যক্ত ভবনে মিলল পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র-গুলি

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তার ‘বিপুল অর্থের চুক্তি’: দ্বিগুণ রিটার্ন প্রতিশ্রুতিতে উঠছে গুরুতর প্রশ্ন

নবীনগরে শ্বশুর বাড়ি থেকে স্ত্রী কে এনে হত্যার অভিযোগ স্বামীর বিরুদ্ধে

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন হবে অনলাইন ক্লাস: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

বল টেম্পারিংয়ের দায়ে দুই ম্যাচ নিষিদ্ধ ফখর জামান

এপ্রিলে বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম: জ্বালানি বিভাগ

সাগরের তল পাওয়া গেলেও অতীত সরকারের দুর্নীতির সীমানা বের করা যায় না

ঢাবির মুসা খান মসজিদ পুনরুদ্ধারে ২ লাখ ৩৫ হাজার ডলারের অনুদান

রাশিয়ার তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির কারণ জানালেন প্রতিমন্ত্রী

ভারত সফরে জয়শঙ্কর-অজিত দোভালের সঙ্গে বসবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জুলাইতে ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান অবসায়নে অর্থ ছাড় দেবে মন্ত্রণালয়: গভর্নর

পদোন্নতি বঞ্চিত ১৮২১ চিকিৎসকের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

বর্ষার আগে জলাবদ্ধতা নিরসনে ডিএসসিসির মাসব্যাপী কার্যক্রম শুরু