ই-পেপার রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩

ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর নীতিমালা গ্রহণ

আমার বার্তা অনলাইন:
১৯ এপ্রিল ২০২৫, ১৭:৪৫

ট্রাম্প প্রশাসনকে শত শত, এমনকি হাজারো অভিবাসীকে দ্রুত তাঁদের নিজ দেশ ছাড়া অন্য দেশে বিতাড়িত করার নির্দেশ দেওয়া থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিচারক।

নিজ দেশে বিতাড়িত হওয়ার পর নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া বা প্রাণ হারানোর ঝুঁকির বিষয়ে অভিবাসীদের কোনো কথা বলার সুযোগ দিচ্ছে না ট্রাম্প প্রশাসন। এ অবস্থায় গতকাল শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট বিচারক ব্রায়ান মারফি ট্রাম্প প্রশাসনের ওই পরিকল্পনার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অভিবাসনবিরোধী পরিকল্পনায় এটি একটি নতুন আঘাত। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় আসার পর অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর সব নীতিমালা গ্রহণ করছেন।

এর আগে গত মাসে বোস্টনভিত্তিক একজন বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের বিতাড়ন প্রক্রিয়া দ্রুত করার পরিকল্পনার ওপর অস্থায়ীভাবে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলেন, যেন প্রশাসনের অভিবাসীদের অপসারণের ক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হয়।

যেসব অভিবাসীর কিছু ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে, তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো থেকে প্রশাসনকে বিরত রাখতে ওই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল।

গতকালের নিষেধাজ্ঞা ওই আদেশকে বহাল রাখতে জারি করা হয়েছে। আইনিভাবে মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসী বিতাড়নের পরিকল্পনার ওপর এ নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে।

যুক্তরাষ্ট্রে যখন সরকারের কোনো নীতিমালা আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, তখন ফেডারেল বিচারকেরা যে আদেশ দেন, তা প্রায়ই দেশজুড়ে কার্যকর হয়।

আদালতের এসব সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে কার্যকর করা বাধাগ্রস্ত করতে ট্রাম্প প্রশাসন এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের কাছে আবেদন করেছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের আবেদন ছিল, যাঁদের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত এমন সিদ্ধান্ত দেন, শুধু তাঁদের ওপরই তা কার্যকর করা হোক।

বিচারক ব্রায়ান মারফি বলেছেন, ‘আদালত মনে করছেন, এসব বিতাড়ন ভুলভাবে হয়েছে অথবা ভুলভাবে করা হবে। উল্লেখ করার মতো যেসব ক্ষতির সম্মুখীন বাদীরা হতে পারেন, সে বিষয়ে তাঁদের কিছু বলার কোনো সুযোগ দেওয়া হয় না।’

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

হিউম্যান রাইটস ফার্স্টের অ্যানওয়েন হিউস বলেছেন, যাঁদের তৃতীয় কোনো দেশে বিতাড়ন করা হয়েছে, তাঁদের অনেকে শরণার্থী এবং তাঁদের নিজ দেশে ফেরত না পাঠানোর সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। নিজ দেশে গেলে তাঁরা নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হতে পারেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের দ্রুত বিতাড়নের বিরুদ্ধে যাঁরা আদালতে গেছেন, হিউস তাঁদের পক্ষের একজন আইনজীবী।

২০২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে ১ হাজার ৭৬৯ জন আদালতের চূড়ান্ত আদেশে তাঁদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর বিরুদ্ধে সীমিত সুরক্ষা পাওয়ার নিশ্চয়তা পান। নিজ দেশে ফেরত পাঠালে তাঁদের জীবন ও স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়তে পারে অথবা সেখানে নিপীড়নের শিকার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

আদেশ লঙ্ঘন করে ভেনেজুয়েলার অভিবাসীদের বিতাড়ন নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে বিচারপতির হুঁশিয়ারি

এ বছর ফেব্রুয়ারিতে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দপ্তর অভিবাসন কর্মকর্তাদের এ ধরনের সুরক্ষা পাওয়া ব্যক্তিদের মামলা পর্যালোচনার করার নির্দেশ দিয়েছে ও তাঁদের পুনরায় আটক করে তৃতীয় কোনো দেশে পাঠানো যায় কি না, তা দেখতে বলেছে।

পরে অভিবাসীদের অধিকারের পক্ষে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন একদল অভিবাসীর পক্ষে আদালতে গিয়ে নতুন জায়গায় তাঁদের দ্রুত বিতাড়ন আটকে দেওয়ার আবেদন করেন।

বিচারক মারফি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আদালতের নির্দেশ ছাড়া ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসীদের বিতাড়ন করলে সেটি হয়তো নিপীড়নবিরোধী নীতিমালার লঙ্ঘন হবে।

আমার বার্তা/এল/এমই

এবার হরমুজে ভারতীয় ট্যাংকারে ইরানের গুলি, পিছু হটলো ২ জাহাজ

হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের সময় ইরানের নৌবাহিনীর গুলির মুখে পড়ে দুটি ভারতীয় জাহাজ পিছু হটতে বাধ্য

ট্রাম্পকে চাপে রাখার কার্যকরী যে অস্ত্রের সন্ধান দিলো ইরান যুদ্ধ

ইরানের ইসলামী শাসনব্যবস্থাকে উৎখাত কিংবা বলপ্রয়োগের মাধ্যমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সব দাবি মানাতে সাত

হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধের ঘোষণা ইরানের, জ্বালানি সরবরাহে নতুন শঙ্কা

বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্য খুলে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারি করেছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের কোনও পরিকল্পনা নেই: ইরান

  ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কোনও দেশের কাছে স্থানান্তর করা হবে না এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানোর
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আইএমএফের ঋণের কিস্তি ছাড় নিয়ে এবার যে বার্তা দিলেন অর্থমন্ত্রী

একদিনে হাম ও হামের উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

এবার হরমুজে ভারতীয় ট্যাংকারে ইরানের গুলি, পিছু হটলো ২ জাহাজ

ট্রাম্পকে চাপে রাখার কার্যকরী যে অস্ত্রের সন্ধান দিলো ইরান যুদ্ধ

চীনের শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ইউএসটিসি পরিদর্শনে বিএনপি প্রতিনিধিদল

এসএসসি পরীক্ষা: কেন্দ্র এলাকায় যানজট এড়াতে ডিএমপির বিশেষ অনুরোধ

দেশের পাঁচ জেলায় বজ্রপাতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু

চীনের ৩টি চেম্বারের সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের সহযোগিতা স্মারক স্বাক্ষর

কৃষকের অর্থনীতি শক্তিশালী হলে সামগ্রিক অর্থনীতি মজবুত হবে: কৃষি মন্ত্রী

দুই মাসে প্রধানমন্ত্রীর ৬০ পদক্ষেপ, ‘দৃশ্যমান অগ্রগতি’ দাবি সরকারের

পূর্বাচল স্টেডিয়ামের ডিজাইন পরিবর্তন নিয়ে যা বললেন তামিম

প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

দেশ গঠনে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নেওয়ার কারণ জানালেন রুমিন ফারহানা

তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রেখেছে জনগণ: মাহদী আমিন

সুনামগঞ্জে হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

জরুরি সেবার যানবাহনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ চেয়ে নোটিশ

এসএসসি পরীক্ষায় ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ বাতিল

পতিত সরকারের জ্বালানি নীতি ছিল বিতর্কিত : দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য